নমস্কার / আসসালামুআলাইকুম, Farmer Kamol-এ পেয়ে যাচ্ছেন খাঁটিমধু - ঘি - সরিষার তেল ও হাঁসের বাচ্চা — সরাসরি খামার থেকে আপনার দরজায়। Farmer Kamol পরিবারে স্বাগতম। আমাদের পণ্য ও যেকোনো প্রয়োজনে WhatsApp অথবা কল করুন: 01737939688 । ঢাকার মধ্যে হোম ডেলিভারি ২৪ ঘন্টার মধ্যে, ঢাকার বাইরে ৪৮ ঘন্টায়। নমস্কার / আসসালামুআলাইকুম, Farmer Kamol-এ পেয়ে যাচ্ছেন খাঁটিমধু - ঘি - সরিষার তেল ও হাঁসের বাচ্চা — সরাসরি খামার থেকে আপনার দরজায়। Farmer Kamol পরিবারে স্বাগতম। আমাদের পণ্য ও যেকোনো প্রয়োজনে WhatsApp অথবা কল করুন: 01737939688 । ঢাকার মধ্যে হোম ডেলিভারি ২৪ ঘন্টার মধ্যে, ঢাকার বাইরে ৪৮ ঘন্টায়। নমস্কার / আসসালামুআলাইকুম, Farmer Kamol-এ পেয়ে যাচ্ছেন খাঁটিমধু - ঘি - সরিষার তেল ও হাঁসের বাচ্চা — সরাসরি খামার থেকে আপনার দরজায়। Farmer Kamol পরিবারে স্বাগতম। আমাদের পণ্য ও যেকোনো প্রয়োজনে WhatsApp অথবা কল করুন: 01737939688 । ঢাকার মধ্যে হোম ডেলিভারি ২৪ ঘন্টার মধ্যে, ঢাকার বাইরে ৪৮ ঘন্টায়।
জমির উর্বরতা বৃদ্ধিতে জৈব সারের ভূমিকা — আমাদের খামারের অভিজ্ঞতা | Farmer Kamol ব্লগ | Farmer Kamol
ফসল চাষ
জমির উর্বরতা বৃদ্ধিতে জৈব সারের ভূমিকা — আমাদের খামারের অভিজ্ঞতা
২১/৬/২০২৬
দীর্ঘদিন একই জমিতে চাষ করলে মাটির উর্বরতা কমে যায়। আমাদের খামারে আমরা চেষ্টা করি জৈব সার ব্যবহার করে এই সমস্যা সমাধান করতে। কীভাবে এটা করি, শেয়ার করছি।
জৈব সার কেন গুরুত্বপূর্ণ
রাসায়নিক সার দ্রুত ফলাফল দেয়, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে মাটির গঠন ও প্রাকৃতিক উপকারী জীবাণু কমিয়ে দিতে পারে। জৈব সার ধীরে কাজ করে, কিন্তু মাটির স্বাস্থ্য দীর্ঘমেয়াদে ভালো রাখে।
আমরা যা ব্যবহার করি
গরুর গোবর - আমাদের পশুপালন থেকে পাওয়া গোবর পচিয়ে কম্পোস্ট সার বানানো হয়, যা জমিতে দেওয়া হয় চাষের আগে।
হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা - এটাও সার হিসেবে ব্যবহার করা হয়, বিশেষ করে সবজি ক্ষেতে।
ফসলের অবশিষ্টাংশ - ধানের খড়, সরিষার গাছের অবশিষ্ট অংশ পচিয়ে জমিতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
এভাবে আমাদের সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থায় একটার বর্জ্য আরেকটার উপকারে আসে - এটাই সমন্বিত কৃষির মূল ধারণা।
ফলাফল কী হয়
জৈব সার ব্যবহারের ফলে মাটি ঝুরঝুরে থাকে, পানি ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়ে এবং দীর্ঘমেয়াদে রাসায়নিক সারের উপর নির্ভরতা কমে আসে। আমাদের অভিজ্ঞতায় দেখেছি, এতে ফসলের স্বাদ ও গুণমানও ভালো হয়।
নতুন কৃষকদের জন্য পরামর্শ
হঠাৎ সম্পূর্ণ রাসায়নিক সার বন্ধ করে দেওয়া কঠিন হতে পারে, ফলন কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। বরং ধীরে ধীরে জৈব সারের পরিমাণ বাড়িয়ে রাসায়নিক সারের পরিমাণ কমানোই বাস্তবসম্মত পথ।