Farmer Kamol-এর ঘি গরুর দুধের ঘি, যা তৈরি হয় পাবনা ও সিরাজগঞ্জের খামার থেকে সংগৃহীত দুধ থেকে। আমরা এই ঘি বিশ্বস্ত উৎস থেকে সংগ্রহ করে সরবরাহ করি। এই পেজে ঘি কী, কীভাবে তৈরি হয়, খাঁটি ঘি কীভাবে যাচাই করা যায় এবং কীভাবে সংরক্ষণ করতে হয়, তা বিস্তারিত জানানো হলো, যাতে কেনার আগে আপনি নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
ঘি হলো দুধের চর্বি (বাটারফ্যাট), যা মাখন বা সর থেকে পানি ও দুধের অন্যান্য উপাদান আলাদা করে পাওয়া যায়। ঘিতে চর্বির পরিমাণ প্রায় সম্পূর্ণ এবং পানির পরিমাণ অত্যন্ত কম। পানি কম থাকার কারণে ঘি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে তুলনামূলক দীর্ঘ সময় ভালো থাকে।
দেশি পদ্ধতিতে ঘি তৈরির সাধারণ ধাপগুলো এমন: প্রথমে দুধ থেকে সর বা ক্রিম আলাদা করা হয়। সেই সর থেকে মন্থন করে মাখন তৈরি করা হয়। এরপর মাখনকে ধীর আঁচে জ্বাল দেওয়া হয়।
জ্বালের সময় মাখনের পানি বাষ্প হয়ে উড়ে যায় এবং দুধের কঠিন অংশ (মিল্ক সলিড) নিচে থিতিয়ে সামান্য বাদামি হয়। এই বাদামি হওয়া অংশই ঘির বিশেষ ঘ্রাণ ও স্বাদ দেয়। শেষে ঘি ছেঁকে নিয়ে ঠান্ডা করে পাত্রে রাখা হয়।
আমাদের ঘি গরুর দুধের ঘি। এই দুধ আসে পাবনা ও সিরাজগঞ্জের খামার থেকে এবং সেই দুধ থেকেই ঘি তৈরি হয়। আমরা এই ঘি বিশ্বস্ত উৎস থেকে সংগ্রহ করে সরবরাহ করি। ভবিষ্যতে নিজস্ব খামারে ঘি তৈরির পরিকল্পনা আছে, তখন এই পেজ আপডেট করা হবে।
রং: দুধের উৎসভেদে ঘির রং ভিন্ন হতে পারে। সাধারণত গরুর দুধের ঘি হলুদাভ এবং মহিষের দুধের ঘি তুলনামূলক সাদাটে হয়।
দানা বাঁধা: ঘি ঠান্ডায় বা ধীরে ঠান্ডা হলে দানাদার হয়ে যেতে পারে। এটি ঘিতে থাকা চর্বির স্ফটিকায়নের ফল এবং একটি প্রাকৃতিক ব্যাপার। শুধু দানা বাঁধা দেখে ঘি ভালো বা খারাপ বলা যায় না।
উচ্চ তাপে স্থিতিশীলতা: ঘি থেকে পানি ও দুধের কঠিন অংশ সরানো থাকে বলে এর ধোঁয়া ওঠার তাপমাত্রা (স্মোক পয়েন্ট) সাধারণত মাখনের চেয়ে অনেক বেশি। তাই ভাজাভুজি ও উচ্চ তাপের রান্নায় ঘি তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকে।
ঘরোয়া পরীক্ষা, যেমন শুধু রং, ঘ্রাণ বা ফ্রিজে জমানো দেখে ঘি খাঁটি কিনা তা নিশ্চিত করা যায় না। নিশ্চিতভাবে যাচাই করতে ল্যাবে কিছু পরীক্ষা করা হয়, যেমন আর্দ্রতার পরিমাণ, ফ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের মাত্রা, রাইখার্ট-মাইসেল ভ্যালু (দুধের চর্বির নির্দিষ্ট ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ) এবং বিউটিরো-রিফ্র্যাক্টোমিটার রিডিং।
তাই ঘি কেনার সময় বিক্রেতা উৎস সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য দিচ্ছেন কিনা এবং প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দিচ্ছেন কিনা, তা দেখাই সবচেয়ে বাস্তবসম্মত উপায়।
ঘি ৫০০ গ্রাম, ১ কেজি ও ২ কেজির প্যাকে পাওয়া যায়। সারা বাংলাদেশে ডেলিভারি দেওয়া হয়। ডেলিভারি চার্জ অর্ডারের সময় দেখতে পাবেন। অর্ডারের আগে কিছু জানার থাকলে WhatsApp-এ সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন।
ঘি বায়ুরোধী ও শুকনো পাত্রে রাখুন। প্রতিবার ব্যবহারের সময় শুকনো চামচ ব্যবহার করুন, কারণ সামান্য পানি লাগলেও ঘি নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। ঘি সরাসরি রোদ ও তাপ থেকে দূরে, ঠান্ডা জায়গায় রাখা ভালো।
ঘি তৈরি হয় দুধের সর বা মাখন জ্বাল দিয়ে। জ্বালের ফলে পানি বাষ্প হয়ে যায় এবং দুধের চর্বি বা বাটারফ্যাট ঘি হিসেবে থেকে যায়।
গরুর দুধ থেকে তৈরি ঘি, যে দুধ সংগৃহীত হয় পাবনা ও সিরাজগঞ্জের খামার থেকে। আমরা বিশ্বস্ত উৎস থেকে এটি সংগ্রহ করে সরবরাহ করি।
৫০০ গ্রাম, ১ কেজি ও ২ কেজির প্যাকে পাওয়া যায়।
হ্যাঁ, সারা বাংলাদেশে ডেলিভারি দেওয়া হয়। ডেলিভারি চার্জ অর্ডারের সময় দেখতে পাবেন।
মাখনে চর্বির সঙ্গে পানি ও দুধের কঠিন অংশ থাকে। ঘিতে এগুলো সরিয়ে প্রায় শুধু চর্বি রাখা হয়। এ কারণে ঘির সংরক্ষণকাল বেশি এবং ধোঁয়া ওঠার তাপমাত্রাও সাধারণত বেশি।
না। ঘিতে চর্বির স্ফটিকায়নের ফলে দানা বাঁধা একটি প্রাকৃতিক ব্যাপার, যা ঠান্ডায় বা ধীরে ঠান্ডা হলে ঘটে। ঘি গরম করলে আবার তরল হয়ে যায়।
ঘরোয়া পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া যায় না। ল্যাব পরীক্ষায় আর্দ্রতা, ফ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, রাইখার্ট-মাইসেল ভ্যালু ও বিউটিরো-রিফ্র্যাক্টোমিটার রিডিং দেখা হয়। কেনার সময় বিক্রেতার উৎস সম্পর্কে স্পষ্টতা ও সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ যাচাই করুন।
বায়ুরোধী ও শুকনো পাত্রে, সরাসরি রোদ ও তাপ থেকে দূরে রাখুন এবং সবসময় শুকনো চামচ ব্যবহার করুন।
সর্বশেষ দাম এই পেজের পণ্য তালিকা বা শপ পেজে দেখুন।