প্রথমে কাজ, তারপর বিশ্বাস, তারপর অংশীদারিত্ব। বাস্তব খামার, স্বচ্ছ হিসাব এবং ন্যায্য লাভ ভাগাভাগির মাধ্যমে একসাথে এগিয়ে চলা।
ঝুঁকি: এটি ব্যাংক আমানত বা নির্ধারিত সুদের স্কিম নয়। লাভ-লোকসান দুটোই হতে পারে।
▶ খামারের সব ভিডিও ইউটিউবে দেখুন
কমল কুমার মাহাতো
প্রতিষ্ঠাতা, নিজের খামারে
লাভ বণ্টন (খামারি : অংশীদার)
বিনিয়োগ দিয়ে শুরু করিনি। নিজের টাকা দিয়ে কাজ শুরু করেছি। নিচে সেই সত্য গল্প।
নিজের সামান্য পুঁজি দিয়ে খামার শুরু করেছি। কোনো বাইরের টাকা নেই।
রোগবালাই, খাবারের দাম, বাজার দর — প্রতিদিন নতুন সমস্যা এসেছে।
অনেক ভুল করেছি। শিখেছি। এখন সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাচ্ছি।
ধাপে ধাপে সমস্যা সমাধান করে এগিয়েছি। হিসাব ও রেকর্ড রাখা শুরু করেছি।
ছোট পরিসরে কাজ চলছে। মানুষ দেখছে আমি শুধু কথা বলি না, কাজও করি।
প্রথমে প্রমাণ, তারপর ছোট পরীক্ষামূলক ধাপ, তারপর ধীরে ধীরে বড় করা।
৬টি
গরু
১৫টি
চীনা হাঁস
৪টি
ছাগল
৩ বিঘা
জমি
প্রথম বছর ভিত্তি তৈরির বছর — বাচ্চা কেনা, ঘর তৈরি, ব্রিডিং স্টক প্রস্তুত করা। দ্বিতীয় বছর থেকে প্রকৃত লাভ শুরু।
মেয়াদ
—
লাভ বণ্টন
—
মূলধন
৳ ১,০০,০০০
লট
১ / ১০
লাভ/ক্ষতি বণ্টন
আপনার বিনিয়োগের পরিমাণ লিখুন — সম্ভাব্য রিটার্ন দেখুন
১ম বছর
খামার দাঁড় করানোর সময়, তাই লাভ কম
খামারের নিট লাভ ≈ ৳৩,৫০০ – ৳৫,০০০
আপনার সম্ভাব্য লাভ
৳১,২২৫ – ৳১,৭৫০
২য় বছর
খামার গুছিয়ে উঠলে
খামারের নিট লাভ ≈ ৳১২,৫০০ – ৳১৫,০০০
আপনার সম্ভাব্য লাভ
৳৪,৩৭৫ – ৳৫,২৫০
৩য় বছর
স্থিতিশীল অবস্থায়
খামারের নিট লাভ ≈ ৳১৫,০০০ – ৳১৭,৫০০
আপনার সম্ভাব্য লাভ
৳৫,২৫০ – ৳৬,১২৫
লোকসান হলে
কোনো লাভ পাওয়া যাবে না। অবশিষ্ট মূলধন ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করা হবে, তবে পুরো মূলধন ফেরতের কোনো নিশ্চয়তা নেই।
⚠️ সতর্কতা: এটি শুধুমাত্র সম্ভাব্য হিসাব। প্রকৃত লাভ প্রকৃতি, বাজার দর ও খামার ব্যবস্থাপনার উপর নির্ভর করে। কোনো নির্দিষ্ট রিটার্নের গ্যারান্টি নেই।
কোনো নির্দিষ্ট লাভের প্রতিশ্রুতি নেই। প্রকৃত বিক্রয় ও খরচের হিসাব করে নিট লাভ বের করা হবে।
খামারি (Farmer Kamol)
উদাহরণে প্রাপ্য:
৳১৯,৫০০
সকল বিনিয়োগকারী
উদাহরণে প্রাপ্য:
৳১০,৫০০
কৃষি ও খামার ব্যবসায় ঝুঁকি আছে। রোগবালাই, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বাজার মূল্য কমে যাওয়া ইত্যাদি কারণে লোকসান হতে পারে। আমরা কোনোভাবেই পুঁজি ফেরত বা নির্দিষ্ট লাভের গ্যারান্টি দিই না। বিনিয়োগ করার আগে ভালো করে বুঝে নিন।
নাম, ফোন ও ইমেইল দিয়ে সাধারণ অ্যাকাউন্ট খুলুন।
NID, ছবি, স্বাক্ষর ও পেমেন্ট তথ্য দিন।
নির্দিষ্ট প্রকল্প বেছে নিয়ে অংশীদার হওয়ার আবেদন করুন, চুক্তিপত্র পড়ে ইলেকট্রনিক সম্মতি দিন।
বিকাশ/ব্যাংকে টাকা পাঠিয়ে স্লিপ আপলোড করুন। নিশ্চিত হলে আপনি অংশীদার হয়ে যাবেন।
প্রতিটি অংশীদারিত্বের জন্য লিখিত প্রমাণ থাকবে — শুরুতে চুক্তি, শেষে স্বচ্ছ হিসাব।
আবেদন গৃহীত হলে প্রতিটি অংশীদারিত্বের জন্য একটি স্বতন্ত্র e-Agreement তৈরি হবে — প্রকল্প, বিনিয়োগের পরিমাণ, সময়কাল ও লাভ বণ্টনের শর্ত স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে।
✓ স্বতন্ত্র Agreement Number
✓ অংশীদার ও প্রকল্পের তথ্য
✓ ৬৫% / ৩৫% লাভ বণ্টনের শর্ত
✓ বিনিয়োগের পরিমাণ ও তারিখ
✓ প্রিন্ট/সেভ করার সুবিধা
প্রকল্প শেষ হলে প্রকৃত বিক্রয় ও খরচের হিসাব থেকে চূড়ান্ত সেটেলমেন্ট তৈরি হবে। অতিরিক্ত বোনাস থাকলে সেটিও একই স্টেটমেন্টে দেখানো হবে।
✓ মোট বিক্রয় ও মোট খরচ
✓ নিট লাভের হিসাব
✓ খামারি ও অংশীদারের ভাগ
✓ অতিরিক্ত বোনাস (যদি থাকে)
✓ প্রতিটি অংশীদারের চূড়ান্ত হিসাব
প্রতিটি বিনিয়োগের জন্য আলাদা agreement number সহ ডকুমেন্ট থাকবে।
প্রকল্পের খরচের পরিমাণ ও প্রয়োজনীয় রসিদ/ইনভয়েস সংরক্ষণ করা হবে।
প্রকল্প শেষে মোট বিক্রয়, খরচ ও নিট লাভ থেকে চূড়ান্ত হিসাব তৈরি হবে।
প্রকৃত লাভ বেশি হলে চাইলে অতিরিক্ত বোনাস দেওয়া হতে পারে।
কোনো নির্দিষ্ট সুদ বা গ্যারান্টিড রিটার্ন নেই। শুধু প্রকৃত লাভের অংশীদারিত্ব।
টাকা সরাসরি খামারের বাস্তব সম্পদে (হাঁস, খাবার, অবকাঠামো) ব্যয় হয়।
প্রকৃত আয়-ব্যয়ের হিসাব অনুযায়ী লাভ ভাগ করা হয়। সব হিসাব দেখানো হয়।
কোনো প্রতারণা বা লুকোচুরি নেই। সবকিছু খোলাখুলি।
লাভ-লোকসান দুটোই অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ভাগ হয়।
প্রতিটি বিনিয়োগের জন্য লিখিত চুক্তি থাকে।
না। কোনো নির্দিষ্ট সুদ বা গ্যারান্টিড রিটার্ন নেই। প্রকল্পে প্রকৃত যে লাভ হবে, শুধু তারই নির্ধারিত অংশ আপনি পাবেন। কোনো পর্যায়ে লাভ না হলে সেই পর্যায়ে লাভ ভাগ হবে না।
প্রকৃত আয়-ব্যয়ের হিসাব করে নিট লাভের ৬৫% খামারি (কৃষক কমল) এবং ৩৫% অংশীদার পান। লাভ কম হলেও এই হারেই ভাগ হবে।
খামারে রোগবালাই, আবহাওয়া, খাবারের দাম ও বাজারদরের ওঠানামায় লাভ কমতে বা লোকসান হতে পারে। প্রতিটি প্রকল্পের বিবরণে সেই প্রকল্পের ঝুঁকি আলাদাভাবে দেওয়া আছে।
লোকসান হলে কোনো লাভ পাওয়া যাবে না। মূলধনের যতটুকু অবশিষ্ট থাকবে তা ফেরত দেওয়া হবে, তবে পুরো মূলধন ফেরতের কোনো নিশ্চয়তা নেই। এটা বিনিয়োগের আগেই জেনে নেওয়া জরুরি।
প্রতিটি পর্যায়ের হিসাব শেষে লাভের অংশ নগদে দেওয়া হবে। আপনার মূলধন প্রকল্পেই বিনিয়োগ করা থাকবে, লাভের টাকা মূলধনের সাথে যোগ হবে না।
আপনি আলাদাভাবে মূলধন তোলার অনুরোধ করতে পারবেন। সময়সীমা ও শর্তসহ বিস্তারিত চুক্তিপত্রে থাকবে।
নিজের ফোন নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে অ্যাকাউন্টে ঢুকে প্রথমবার ইমেইল ওটিপি যাচাই করতে হবে। এরপর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), ছবি, স্বাক্ষর, ঠিকানা এবং বিকাশ/ব্যাংক নম্বর দিয়ে প্রোফাইল সম্পূর্ণ করতে হবে। আমরা যাচাই করে অনুমোদন দিলে তবেই বিনিয়োগ করা যাবে।
বিকাশ বা ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাঠিয়ে পেমেন্টের স্লিপ আপলোড করবেন। আমরা যাচাই করে নিশ্চিত করলে আপনার বিনিয়োগ সক্রিয় হবে।
প্রতিটি বিনিয়োগের জন্য আলাদা ক্রমিক নম্বর ও তারিখসহ বিস্তারিত ই-চুক্তি তৈরি হয়, যেখানে উভয় পক্ষের ছবি ও স্বাক্ষর থাকে। আপনি কাগজে স্বাক্ষর করে তার ছবি তুলে আপলোড করবেন।
বাস্তব কাজ, স্বচ্ছ হিসাব এবং ন্যায্য অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে।
অংশীদার হওয়ার আবেদন করুন →৬৫ : ৩৫
ধান, সরিষাসহ উচ্চমূল্যের ফসল চাষ। স্থায়ী ও টেকসই উৎপাদন।
কোরবানির উদ্দেশ্যে গরু পালানোর স্পন্সরশিপ প্রকল্প। বিস্তারিত জানুন আমাদের ব্লগে।
ব্লগে পড়ুন →